আইইএর পূর্বাভাস

চলতি বছর ধীরগতিতে বাড়বে জ্বালানি তেলের চাহিদা

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির কারণে বিশ্ব অর্থনীতি নানা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির কারণে বিশ্ব অর্থনীতি নানা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব জ্বালানি তেলের বাজারেও বেশ ভালোভাবেই পড়েছে। এ অবস্থায় নতুন পূর্বাভাস দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ)। সংস্থাটির মতে, চলতি বছর বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের চাহিদা ২০০৯ সালের পর (কভিড-১৯ মহামারীকালীন বাদে) সবচেয়ে ধীরগতিতে বাড়বে। খবর ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।

আইইএর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের চাহিদা দৈনিক গড়ে সাত লাখ ব্যারেল বাড়তে পারে। জুনে সংস্থাটি চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল দৈনিক ৭ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) অনেক দেশে প্রত্যাশার চেয়ে কম জ্বালানি তেল ব্যবহার হয়েছে। চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও মেক্সিকোয় পণ্যটির চাহিদা এক বছরের ব্যবধানে যথাক্রমে ১ লাখ ৬০ হাজার, ৮০ হাজার, ৭০ হাজার ও ৪০ হাজার ব্যারেল করে কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রে দৈনিক ৬০ হাজার ব্যারেলের চাহিদা কমেছে। তবে ইউরোপ ও এশিয়ার বাইরের উদীয়মান অর্থনীতিতে চাহিদা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।

আইইএর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, চাহিদা কমার পেছনে আংশিকভাবে আবহাওয়া-সংক্রান্ত বিষয় থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক অনেক বাণিজ্যিক অংশীদারের অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। যেসব দেশের ওপর শুল্কের চাপ পড়েছে, সেসব দেশেই চাহিদা সবচেয়ে বেশি কমেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, জুনে বৈশ্বিক জ্বালানি তেল উত্তোলন হয়েছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দৈনিক ২৯ লাখ ব্যারেল বেশি। এর মধ্যে ওপেক প্লাস দেশগুলোর উৎপাদন বেড়েছে দৈনিক ১৯ লাখ ব্যারেল। ফলে চলতি বছর বৈশ্বিক সরবরাহ দাঁড়াতে পারে দৈনিক ১০ কোটি ৫১ লাখ ব্যারেল, যা সম্ভাব্য চাহিদা (১০ কোটি ৩৭ লাখ ব্যারেল) থেকে বেশি।

আরও